শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ফেরিঘাট এলাকা থেকে ১২ কিশোরী উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি »

নিউজটি শেয়ার করুন

মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ফেরিঘাট ও এর আশেপাশের এলাকায় লৌহজং থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১২ কিশোরীকে উদ্ধার করেছে। এসময় শাহাদাত ও সোহেল নামে পতিতাবৃত্তির ব্যবসায় জড়িত থাকার পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেছে।

রঞ্জিত দাস নামের এক ব্যক্তি শিপিং পোর্ট এর মালিক লৌহজং থানার আওয়ামীলীগের নেতা আশরাফ হোসেন খানের কাছ থেকে সুদে টাকা ধার নেন। রঞ্জিত দাস সময় মতো টাকা ফেরত না দেওয়ায় তার মেয়ে শিখা রাণী দাসতে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে মাওয়া ফেরিঘাট রেড-লাইট এলাকায় নিয়ে বিক্রি করে দেয় তারা।

রঞ্জিত দাস বলেন, মেয়েকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পাগলপ্রায় তখন তিনি খোঁজ পান তার এলাকার একটি ছেলে মাওয়া ফেরীঘাটে শিপিং পোর্ট এ দীর্ঘ দিন যাবত হিসাবরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছেন। রঞ্জিত দাস তার সাথে বিষয়টি আলোচনা করলে, সেই হিসাবরক্ষক সহ পুলিশ এবং পরবর্তীতে উপজিলা নির্বাহি অফিসার এর সাথে দেখা করে।

পরে মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) রাতে লৌহজং উপজেলা থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস বিফ্রিংয়ের মাধ্যমে পুলিশ সুপার মোঃ মেনহাজুল আলম সাংবাদিকদের জানান উদ্ধার অভিযানের সময় ফেরি ঘাট এলাকার হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আল-আমিন এবং রঞ্জিত দাসের অভিযোগের উপর ভিত্তি করে অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আমরা আশা করছি ১২টি মেয়ে তাদের পরিবারে গিয়ে আবার স্বাভাবিক জীবযাপন শুরু করবে।

উদ্ধার হওয়া এক কিশোরী জানান, ৩ মাস আগে চাকরির কথা বলে মাওয়া ফেরিঘাট তাকে নিয়ে আসে। সেখানে নিয়ে আসার পর তাদের ১২ জনকে অন্ধকার ঘরে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করা হতো। খেতে দেওয়া হতো বাসি পচা খাবার।

আপনার মন্তব্যটি লিখুন
শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »